যেভাবে মিয়ানমারকে সাইজ করেছিলেন জিয়াউর রহমান

29
জিয়াউর রহমান

নিরীহ রুহিঙ্গাদের উপর বার্মার সামরিক বাহিনীর ভিডিও চিত্র গুলো আমরা প্রতিনিয়ত দেখছি তাতে মনে প্রশ্ন জাগে ১৯৭১ সালে পাক সেনারা কি তুলনামূলক ভাবে কম ছিল? ১৯৭১ সালের পাকসেনাদের অত্যাচারের ভিডিও চিত্র ধারণ করা আজকের মত সহজ ছিল না বলে আমাদের এমনটি মনে হতে পারে। আমি বিভিন্ন সূত্রে ফেইসবুকে আপলোড কৃত মায়ানমারের ভিডিও চিত্র দেখে স্হির থাকতে পারছি না উচ্চ রক্তচাপ বেড়ে গাঁড়ে ব্যাটা অনুভব করি।এখনই আমাদের কর্তব্য হলো শান্তিতে নেবেল পাওয়া অশান্তি বেগমের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো।

শয়তানদের সমোচিত জবাব দেয়ার সময় এখন এসেছে।গত কয়েকদিন আগে জিয়াউর রহমানের ব্যায়াপারে মিয়ানমারের একজন মুখপাত্রের কথা যথেষ্ট আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল অনলাইন মিডিয়ায় তিনি বলেছিলেন জিয়াউর রহমান সার্ক গঠন করেন সাউথ এশিয়ান এসোসিয়েশন ফর রিজোনাল ক-অপারেশন,তিনি এ সংগঠনে আফগানিস্হান,ভুটান,মালদ্বীপ,নেপাল পাকিস্তান,ভারত শ্রীলঙ্কাকে সংযুক্ত করলেও মিয়ানমারকে সংযুক্ত করেন নাই কারন বার্মার সাথে জিয়ার রহমানের সম্পর্ক কোনদিনই ভাল ছিল না কারন এই জাতিটিকে তিনি হাড়ে হাড়ে চিনতেন।

তাই তিনি আগে থেকেই তাদেরকে ক-অপারেশন ভুক্ত করা থেকে বিরত ছিলেন।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মিয়ানমারের সেই মুখপাত্র আরো বলেন আজ বাঙালি রুহিঙ্গাদেরকে ধর্মীয় বিদ্ধেষ ছড়ানোর অভিযোগে এখন থেকে মারপিট করে ধর্ষণ করে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে রক্তাক্ত দেহে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে।দেশ প্রেমিক বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বাংলাদেশ সরকার এ বিষয়ে সম্পূর্ণ নিঃচুপ।সত্যি অবাক হচ্ছি আজ যদি জিয়াউর রহমান বেচেঁ থাকতেন কোনো এ রকম হতো না।তিনি সর্ব প্রথম বন্দরবন এলাকাতে যত মঘ সহ উপজাতীয় রয়েছে মায়ানমারের জাতি ভুক্ত তাদের সবাইকে সম্ভবত বের করে দিতেন ।তিনি দয়ালু মনভাবের পাশাপাশি তিনি ছিলেন অত্যন্ত কঠোর,অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন অনেক হিংস্র তিনি জানতেন মাগুরকে মুঘুর দিয়া সোজা করতে হয়,মজার একটি তত্ব দিয়ে তিনি বলেন যে চার বছর জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় ছিলেন ভয়ে মিয়ানমার সীমান্তে একটি গুলি ও ছুড়েনি ভয়ে কেহ বাংলাদেশ কে আক্রমন করার চিন্তা ও কেউ করতো না কারন জিয়াউর রহমানের যুদ্ধ কৌশল ছিল অত্যন্ত উন্নত ও ভয়ংকর।

বাংলা দেশে প্রতিরক্ষা দেশ প্রেমিক সেনাবাহিনী গড়ে তুলতে তিনি ক্যাডেট কলেজের সংখ্যা ৪ টি থেকে ৮ ক্যাডেট কলেজ গড়ে তুলেন,যদি বাহিরের দেশে সাথে যুদ্ধে যেতেই হয় তা হলো আমাদের সেনাবাহিনীর অনিয়মিত যুদ্ধ ১৯৮০ ছিল জিয়াউর রহমানের মস্তিস্ক প্রসূত।সর্বপ্রথম অনিয়মিত যুদ্ধ ১৯৮০ তিনিই আবিষ্কারকরে ছিলেন, তিনি আনসার গ্রাম প্রতিরক্ষা দল গঠন করেছিলেন তিনির জীবদ্দশায় গুলি ছুড়তে শিখে ৪০ হাজার নরনারী।জিয়া দেশের জনগণ ও সেনাবাহিনীর মধ্যে সুসম্পর্ক স্হাপন করেন মিরপুরে ডিফেন্স স্টাফ কলেজ প্রতিষ্টা করেন।খুব আশ্চর্যের বিষয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মায়ামারের মুখপাত্র আরেকটি তথ্য দেন যা অবাক হবার বিষয় ১৯৭৭ সালের ২৭শে সেপ্টেম্বর জাপানের একটি বিমান চিনতাই হয়ে অবতরণ করে তেজগাঁ বিমান বন্দরে,তৎকালীন দেশি বিদেশী সংবাদ মাধ্যম থেকে জানা গিয়েছিলো বিমানটি চিনতাই করেছিল মিয়ামারের সন্ত্রাসী বাহিনী গুলো,সেই সন্রাসী বাহিনী জাপানি বিমান তেজগাঁ বিমান বন্দরে অবতরণ করে তাদের খারাপ উদ্দেশ্য চরিতার্ত করার জন্য।তৎকালীন জিয়াউর রহমান বীরদর্পে সন্ত্রাসী রেড আর্মিদের সাথে দরকষাকষি করে অবশেষে তাদেরকে প্রতিহত করে নাস্তানাবুদ করছিলেন, সেই সুবাদে জাপানের সাথে সুসম্পর্ক স্হাপন হয় বাংলাদেশের, জাপান অবাক হয়েছিল জিয়াউর রহমানের বীরত্ব দেখে,মিয়ানমারের সেই সন্ত্রাসী বাহিনীর কাছ থেকে উদ্ধার হয় জাপানের চিনতাই কৃত বিমান যার সুফল আজও আমরা পেয়ে আসছি।

তৎকালীন সময়ে জাপানের অর্থায়নে বাংলা দেশে নির্মিত হয়েছে অনেক ব্রিজ কালভার্ট থেকে শুরু করে অনেক গুলো সেতু। মন থেকে বলতে হয় আজকে মিয়ানমারের এই পরিস্হিতির মোকাবেলা করতে জিয়াউর রহমানের মতো সেনা প্রধানের বড়ই প্রয়োজন ছিলো,সত্যি বলতে যদি জিয়াউর রহমান বেচেঁ থাকতেন তাহলে মিয়ানমারের মত বাদঁর বাহিনী আমাদের সীমান্তে ঘেসার ও সাহস পেত না,রোহিঙ্গাদের নিপীড়ন তো দূরের কথা তাদের নাগরিকত্ব বাস্তবায়ন করে কোন রকম হুজুর হুজুর করে বাঁচত।সত্যি বাঙালি জাতি চিরকৃতজ্ঞ থাকবে জিয়াউর রহমানের প্রতি,চার বছরের শাসনামলে যা তিনি করে দেখিয়াছিলেন তা সারা জীবনের জন্য বাঙালিদের স্মৃতিতে ওমর হয়ে থাকবেন।আরেক টা কথা না বললেই নয় জিয়াউর রহমান আজ যদি বেচেঁ থাকতেন তা হলে রাখাইন রাজ্যে এভাবে মুসলিমরা নিষ্পেষিত হতে পারতো না,নিরীহ মানুষ নারী শিশুদের উপরে এভাবে অন্যায় জুলুম অত্যাচার হতোনা আরো আগেই রাখাইন রাজ্য দখল হয়ে যেত এবং সচি রোহিঙ্গা মুসলিমদের সন্ত্রাসী বলার সাহস পেত না।

Follow Facebook

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন: