মেরিলিন মনরোর বিবিধ রতন

81
bdtruenews24.com

১ জুন ছিল হলিউডের ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ও নন্দিত অভিনেত্রী মেরিলিন মনরোর ৯০তম জন্মদিন। তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে যুক্তরাজ্যের লন্ডনের চেলসি হারবার ডিজাইন সেন্টারে চলছে বিশেষ এক প্রদর্শনী। সেখানে প্রদর্শিত হচ্ছে মনরোর নিত্যব্যবহার্য ও প্রিয় কিছু সরঞ্জাম

চামড়ার ব্যাগচামড়ার ব্যাগ

মনরোর ব্যবহৃত একটি লেদার ব্যাগ প্রদর্শনীতে বেশ আকর্ষণ করছে দর্শকদের। ১২ হাজার ডলার দাম উঠেছে ব্যাগটির। এই ব্যাগের ভেতর আছে এর সঙ্গে মিলিয়ে তৈরি করা চিরুনির সেট, কমপ্যাক্ট পাউডারের কেস ও সিগারেট লাইটার।

লিপস্টিকলিপস্টিক

১৯৪৭ সালে মেরিলিন মনরো রেভলন ব্র্যান্ডের এই লিপস্টিক ব্যবহার করতেন। গোলাপিরঙা এই লিপস্টিকের নাম ‘ব্যাচেলরস কারনেশন’। তাঁর চাকচিক্যময় জীবনের সঙ্গে মিলিয়েই লিপস্টিকটির খোলসেও চকচকে পাথর বসানোছিল। এক সংগ্রাহক এই লিপস্টিক তাঁর নিলামে কেনা মনরোর একটি ব্যাগের লুকানো পকেটে খুঁজে পান।

স্বর্ণখচিত ক্লাচস্বর্ণখচিত ক্লাচ

ডেভিড গেইনসবুর্গ-রবার্ট নামের এক সংগ্রাহক মনরোর একটি স্বর্ণখচিত ক্লাচ (ছোট ব্যাগ) এই প্রদর্শনীতে নিয়ে এসেছেন। স্মৃতিচিহ্নটি তিনি নিলামে বিক্রিও করবেন। কারণ, তাঁর ধারণা, ১৯৮৮ সাল থেকে নিজের সংগ্রহে থাকা এই মনরো-স্মারক এখন তাঁর ধারণক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। ক্লাচটি আরও বড় কোনো সংগ্রহশালায় বিশেষ যত্নের সঙ্গে সংরক্ষিত থাকলে ভালো হবে। ক্লাচটি স্বর্ণের। তাতে বসানো আছে বাদামি রঙের দামি পাথর। কালো ভেলভেট কাপড় দিয়ে তৈরি এর ভেতরের অংশ। ভেতরে আছে একটি স্বর্ণের ছোট ট্রে, যাতে পাউডার রাখা যায়।

হীরার হাতঘড়িহীরার হাতঘড়ি

সুইজারল্যান্ডের ঘড়ি নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ব্ল্যাঙ্কপেইন মনরোর জন্য এই হাতঘড়ি তৈরি করেছিল। একে বলা হয় ‘ককটেইল ওয়াচ’। ৭১টি হীরা বসানো আছে এেত। এর সংগ্রাহক যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের নিলামকারী প্রতিষ্ঠান জুলিয়ানস।

কিন্তু যেহেতু ঘড়িটি একসময় মনরোর হাতে শোভা পেয়েছে, তাই নিলামে তাঁরা এর দাম হাঁকা শুরু করতে চায় ১ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার থেকে।

কালো পোশাককালো পোশাক

মনরো সাম লাইক ইট হট ছবিতে এই পোশাক পরেছিলেন। তাঁর প্রিয় ডিজাইনার সেল চ্যাপম্যান এটির নকশা করেছেন। পাথর আর চুমকি বসানো এই পোশাক এতটাই আঁটসাঁট ছিল, মনরোকে সেবার কোলে করে পিয়ানোর ওপর বসাতে হয়েছিল।

গুচি ফোনবুক কার্ড-কেস চিরুনির সেটগুচি ফোনবুক কার্ড-কেস চিরুনির সেট

বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ড গুচি মনরোর জন্য বিশেষভাবে নকশা করেছিল একটি কার্ড-কেস। এর ভেতর ছিল ফোন নম্বর টুকে রাখার জন্য আলাদা কাগজ। তখন তো আর মুঠোফোন ছিল না, তাই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নম্বর সংরক্ষণের ব্যবস্থাও ছিল না। ভরসা ছিল ভিজিটিং কার্ড আর ফোনবুক। তাই ওই ফোনবুকে ষাটের দশকের সব বড় বড় হলিউড তারকার নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বরসহ গুচির সেই ফোনবুক সেটটিও প্রদর্শনীর একটি আকর্ষণীয় অংশ।

মেরিলিন মনরো (১ জুন ১৯২৬—৫ আগস্ট ১৯৬২)

টেলিগ্রাফ অবলম্বনে

শেয়ার করুন :
Follow Facebook

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন:

Loading Facebook Comments ...