বসনিয়ার ‘ম্যাগনেট বয়’

40

মা চামচ ছুঁড়ে মারলে সটাং শরীরে গিয়ে আটকে যায়। ব্যথা লাগা তো দূর অস্ত, সেই চামচ গা থেকে ছাড়াতে হিমশিম খেতে হয়। পাড়ার সবাই নাম দিয়েছে তাকে ‘ম্যাগনেট বয়’। হ্যাঁ, তার শরীরটাই চুম্বক। বসনিয়ার গ্রাক্যানিকার ম্যালেসিসি গ্রামের বছর আটের ইরমান দেলিক এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।

ইমরানের শরীরের এমন অদ্ভূত পরিবর্তন দেখে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায় তার পরিবার। সব ধরনের পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়। কিন্তু কোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ নেই ইমরানের শরীরে, জানিয়ে দেন চিকিৎসকরা। ইমরানের এমন ‘ঐশ্বরিক শক্তি’র কিছু ঝলক সোশ্যাল মিডিয়া তার পরিবার পোস্ট করলে রাতারাতি হিরো বনে যায় সে।

ভিডিও-তে দেখা গিয়েছে, স্টিলের চামচ, ১৩টি কয়েন আটকে রয়েছে ইমরানের বুকে। এমনকী পিঠেও চুম্বকীয় আকর্ষণ রয়েছে।
তবে এই রকম অদ্ভুত ‘ক্ষমতা’ শুধুমাত্র ইমারনেরই নেই। এর আগেও দেখা গিয়েছে অনেককে।

এর আগেও দেখা গিয়েছে অনেককে। এক নজরে দেখে নেয়া যাক এমন আরো অনেক ম্যাগনেট ম্যানের আকর্ষণীয় তথ্য:

সাম্প্রতিকতম চমক বসনিয়ার এই ইমরান দেলিক। শরীরে চৌম্বক শক্তির খোঁজ মিলেছে।

যত বেশি ইমরান রাগে, তার শরীরের চৌম্বক শক্তি নাকি তত বাড়তে থাকে।

চীনের ঝিজিয়াং প্রদেশের শাওক্সিংয়ে ৫৪ বছর বয়সী ওয়াং বাওকিয়াংয়ের শরীরে চৌম্বক ক্ষমতা রয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, কয়েক কিলোগ্রাম স্টিল শরীরে আটকে রাখার ক্ষমতা রাখেন।

ভারতের মধ্যপ্রদেশের সাগর জেলার অরুণ রায়েকওয়ার নামে এই ব্যক্তির শরীরে চামচ, পেরেক সহজেই আটকে যায়।

তবে ইমরানের মতো চৌম্বক শক্তি সব সময় থাকে না অরুণ রায়েকওয়ারের।

২০১৩ সালে জর্জিয়ার এতিবার এলচেভ তো বিশ্ব রেকর্ড করে ফেলেছেন তার শরীরে সবচেয়ে বেশি চামচ আটকে। তার শরীরে ৫৩টি স্টিলের চামচ আটকে ছিল।

শুধু চামচ আটকেই ক্ষান্ত ছিলেন না, বুকে উপর ধাতুর পাত সুদ্ধু একটি মানুষকে বসিয়ে নিয়ে যান এতিবার এলচেভ।

শেয়ার করুন :
Follow Facebook

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন:

Loading Facebook Comments ...