বরফে পরিণত হয় এই ব্যাঙ!

133
bdtruenews24.com

সাত মাস বরফ হয়ে থাকতে পারবেন? পারবেন না। কিন্তু ওরা পারবে। ওরা মানুষ নয়। ওরা বিশালাকার জন্তুও নয়। পুচকি পুচকি ব্যাঙ। সোনা ব্যাঙ, কোলা ব্যাঙের মতো অতি মামুলি ব্যাঙ। দীর্ঘ সাত মাস বরফ হয়ে যায় ওদের শরীর। আবার সব আগের মতো হতে শুরু করে সাত মাস পর থেকে।

আলাস্কার গভীর জঙ্গলে ওদের বসবাস। প্রত্যেক বছর সেপ্টেম্বর মাসে ওরা জমতে শুরু করে। জমতে জমতে শক্ত বরফে পরিণত হয়। শরীরের দু-ভাগের তিনভাগ তরল বরফ হয়ে যায়। হাতে নিলে নড়ে ওঠে না ওদের শরীর। হাত-পা ধরে বেঁকালে মট করে ভেঙে যায়। অনেকে আবার ওদের পাথর বা ব্যাঙের ফসিল বলে ভুল করে।

সবচেয়ে আশ্চর্যের ব্যাপার হল, এই সাত মাস কিন্তু ওদের হার্ট কাজ করে না। হৃদযন্ত্র একেবারে অকেজো হয়ে যায়। আপাতভাবে বলতে গেলে, একপ্রকার মারাই যায় ব্যাঙগুলি। অন্তত এতকাল এটাই ধরে নিয়েছিলেন পশুবিজ্ঞানীরা।

কিন্তু তাঁদের সব ধারণা এবার ভুল প্রমাণিত হয়েছে। হৃদযন্ত্র অচল হয়ে গেলেও, বরফ অবস্থায় শরীরের প্রতিটি কোশ বেঁচে থাকে এই ব্যাঙের। তীব্র ঠান্ডায় কোশগুলিই ওদের বাঁচিয়ে রাখে। প্রকৃতির কী আশ্চর্য কারিগরি। এভাবেই ওদের কলকব্জা তৈরি করেছে প্রকৃতি।

ফলত, মার্চ মাস শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আবার শরীর সচল হতে শুরু করে ব্যাঙগুলির। ঠিক যেমন আমরা পুরাণের গল্পে দেখি, ঈশ্বর্যের আশীর্বাদে কেমন অভিশপ্ত পাথরও প্রাণ ফিরে পায়! তবে আলাস্কার এই ব্যাঙগুলি কোনও অভিশাপের শিকার নয়। প্রত্যেক শীতে প্রবল

শেয়ার করুন :
Follow Facebook

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন:

Loading Facebook Comments ...