‘বন্দুকযুদ্ধে’ হত্যা মামলার আসামিসহ নিহত ২

43
bdtruenews24.com

জয়পুরহাট সদর উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই যুবক নিহত হয়েছেন। সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার ভাদসা ইউনিয়নের গোপালপুর-কোঁচকুড়ি সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত দুজন হলেন মোহাম্মদ সোহেল (৩৫) ও মুনির হোসেন (৩২)। তাদের মধ্যে সোহেল ভাদসা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান এ কে আজাদ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন। আর  মুনির হোসেন তার সহযোগী বলে পুলিশ দাবি করেছে।

সোহেল ভাদসা ইউনিয়নের ছাওয়ালপাড়া গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। মুনির হোসেন কোঁচকুড়ি গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে। তাদের মৃতদেহ জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের ভাষ্য, সোহেল ও মুনিরের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) ফরিদ হোসেন, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মশিউর রহমান ও কনস্টেবল মোস্তাফিজ আহত হন। তাদের জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বন্দুকযুদ্ধের পর ঘটনাস্থল থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, দুটি গুলি, একটি ম্যাগাজিন ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

জয়পুরহাটের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি-সার্কেল) অশোক কুমার পাল জানান, ভাদসা ইউপির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান এ কে আজাদ হত্যা মামলার আসামিরা তাদের গ্রামের বাড়ি কোঁচকুড়ি গ্রামে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে খবর পায় পুলিশ। এর ভিত্তিতে সোমবার দিবাগত রাতে জয়পুরহাট সদর থানার ওসি ফরিদ হোসেন ঘটনাস্থলের দিকে যান। গোপালপুর বাজার অতিক্রম করে কোঁচকুড়ি সড়কে ওঠামাত্র আসামিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও গুলি ছোড়ে। ওই সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি হয়।

খবর পেয়ে আশপাশের গ্রামের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে ছুটে এলে আসামিরা পালিয়ে যায়। পরে গোপালপুর-কোঁচকুড়ি সড়কে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

গত ৪ জুন স্থানীয় দুর্গাদহ বাজার থেকে মোটরসাইকেলে করে নিজ বাড়ি কোচকুঁড়ি গ্রামে ফিরছিলেন এ কে আজাদ। পথে মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা তাঁকে কুপিয়ে ও গুলি করে জখম করে। ওই সময় নয়ন চন্দ্র নামে এক পথচারীকেও গুলি করে মুখোশধারীরা। গুলিতে আহত চেয়ারম্যান আজাদ গত রোববার ভোরে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

Follow Facebook

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন: