নিষিদ্ধ বা অপ্রত্যাশিত

128
bdtruenews24.com

এই সম্পর্কগুলোর কোনও সংজ্ঞা নেই। রক্তের সম্পর্ক থাক বা না থাক, সমাজের বেঁধে দেওয়া গণ্ডির বাইরে গিয়ে যখন দু’জন মানুষ জড়িয়ে পড়েন— স্বেচ্ছায় কিংবা অনিচ্ছায়— বিতর্ক কেউ আটকাতে পারে না।

ক্লোয়ি কারদাশিয়ান-রবার্ট কারদাশিয়ান
কিম কারদাশিয়ানরা চার ভাইবোন। তার মধ্যে কিম তো নিজগুণে বিতর্কিত! কিং আর কোর্টনি কারদাশিয়ানকে বাদ দিলে যে দু’জন পড়ে থাকেন, সেই ক্লোয়ি এবং রবার্টকে নিয়ে কানাঘুষো মাঝে মাঝেই বিস্ফোরণের আকার ধারণ করে! রবার্ট এক সময় ক্লোয়ির বাড়িতেই থাকতেন। রবের জামাকাপড় কাচা, তার জন্য রান্না করা, ঘর গুছনো— ইত্যাদি ‘স্ত্রী-বাচক’ কাজগুলোও ক্লোয়িই করতেন। এবার বিস্ফোরণ এড়াতে কান চাপুন (বা চোখ ঢাকুন)! ক্লোয়ির সাধের লজাঁরি কিনে আনতেন রবার্ট! ‘কিপিং আপ উইথ দ্য কারদাশিয়ান্‌স’এর প্রতি পর্বে তাঁদের যৌন-আলাপও চর্চিত হয়েছে বহুদিন! সে যাই হোক, দু’জনের ‘সম্পর্কে’ মরচে ধরেছে সম্প্রতিই। আমেরিকান মডেল ব্ল্যাক চায়নার সঙ্গে রবের প্রেম এবং সন্তানের খবর শুনে ক্লোয়ি রব’কে ঘরছাড়া করেছিলেন কিছুদিন আগে। কাঠখড় পুড়িয়ে তবে রাগ জল করতে পেরেছেন রব। ক্লোয়ি এখন মেনেও নিয়েছেন ব্ল্যাক চায়নাকে।

অ্যাঞ্জেলিনা জোলি-জেম্‌স হ্যাভেন

 ২০০০ সালে অস্কারের রেড কার্পেটে দাদা জেম্‌স হ্যাভেনকে জড়িয়ে ধরে চুম্বন করেছিলেন জোলি। ঠোঁটে ঠোঁট ডুবিয়ে। সেই দীর্ঘ চুমু মিডিয়ার কাছে বেশ রসাল রসদ হয়েছিল বটে! দুই ভাইবোনের এমন জবরদস্ত ‘স্মুচ’ প্রকাশ্যে ঘটায়, স্বভাবতই চোখ কপালে উঠেছিল জনতার। পরে জোলি বলেন, সেই দিন তাঁদের মা মার্চেলিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। ক্যানসারের সঙ্গে লড়ছিলেন তিনি। ঘটনাচক্রে ওইদিনই তাঁর অবস্থার খানিক উন্নতি হয়। সেই সুখবরেরই উদ্‌যাপন ছিল ওই চুমু! অন্য যে কোনও ভাইবোন আলিঙ্গনেই ক্ষান্ত দিতেন। কিন্তু জোলির কাছে চরমপন্থা আর চুমুপন্থা সম্ভবত এক!

মর্গান ফ্রিম্যান-এডিনা হাইন্‌স
তখন মির্না কোলি-লি’র সঙ্গে মর্গানের ‘ওপেন ম্যারেজ’ হলিউডে চর্চার বিষয়। মিডিয়া পারলে ‘ফ্রিম্যান’ শব্দটা পদবি ছাড়াও নানা অর্থে ব্যবহার করে! মর্গানের সৎ নাতনি এডিনা। তাঁর ফুর্তিবাজ স্বভাব আর হাসাতে পারার ক্ষমতা মর্গানকে আকৃষ্ট করে। নাতনিকে নিয়ে প্রায়ই তাক-লাগানো রেস্তোরাঁয় খেতে যেতেন দাদু। এক রাতে মর্গান প্রচণ্ড মদ্যপ হয়ে এডিনাকে শয্যাসঙ্গিনী হতে বলেন। মর্গানের স্ত্রী মির্নাকে সে কথা সঙ্গে সঙ্গে জানান এডিনা। সেবারের মতো ব্যাপারটায় জল পড়লেও মর্গান কিন্তু চেষ্টা থামাননি। শেষে অবশ্য এডিনার সঙ্গে যৌন-সম্পর্ক হয় তাঁর। মির্নার সঙ্গে মর্গানের বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পর নাকি এডিনাকে বিয়েও করতে চেয়েছিলেন অভিনেতা। যদিও প্রকাশ্যে সবই অস্বীকার করেন মর্গান। পরে এডিনা অন্য সম্পর্কে জড়ান। তার শেষটা অবশ্য বীভৎস। প্রেমিকের হাতে খুন হন এডিনা।

লিভ টাইলার-স্টিভেন টাইলার
গুগ্‌লে লিভ টাইলার আর তাঁর বাবা স্টিভেন টাইলার টাইপ করে খুঁজলে দু’জনের গুচ্ছ গুচ্ছ নিবিড় ছবি পেয়ে যাবেন! প্রকাশ্যে ঘনিষ্ঠ চুম্বন ভাগ করাটা তাঁদের ক্ষেত্রে নতুন কিছু নয়। বাবাকে চুমু দেওয়ায় আইনত বাধা নেই অবিশ্যি। তবে মন্দ লোকে বলে থাকে, নিবিষ্ট আলিঙ্গনটাই যা চুম্বনের মাত্রাকে বেশ খানিক বিতর্ক দিয়েছে! অনেকে আবার বলেন, ১৪ বছর বয়সের আগে লিভ নাকি জানতেনই না স্টিভেনই তাঁর বাবা। ফলে স্টিভ’কে রকতারকা হিসেবেই দেখে এসেছিলেন জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ সময়ে। সেটাই নাকি স্খলনের কারণ! বাকিটা বলবেন মনস্তত্ত্ববিদ্‌রা!

 উডি অ্যালেন-ডিলান ফ্যারো
পুরো ব্যাপারটা প্রকাশ্যে আসে ডিলান ফ্যারোর খোলা চিঠিকে কেন্দ্র করে। মিয়া ফ্যারোর প্রথম পক্ষের সন্তান ডিলান। উডির সঙ্গে মিয়ার বিয়ের পর আপাতদৃষ্টিতে সুখীই ছিলেন তাঁরা। উডির সঙ্গে ডিলান ভালই মিশে গিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তী কালে ডিলান অভিযোগ করেন, উডি ছোটবেলায় তাঁকে নিগ্রহ করতেন। যদিও সেই অভিযোগের ভিত্তিতে কোনও তদন্ত বা ধরপাকড় কিছুই হয়নি। উডির গায়ে আঁচটুকু লাগেনি। আর সেটা নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত হয়েছে হলিউডও। কারও মতে, উডি অ্যালেন যে কোনও স্খলনের উর্ধ্বে! আবার অন্য দলের মতে, নিশ্চয়ই কিছু একটা ঘটিয়েছিলেন তিনি। না হলে এত লোক কেনই বা ডিলানের পক্ষ নিচ্ছে! উডি নিজে অবশ্য বার বার তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা নিগ্রহের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন।

Follow Facebook

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন: