থিওক্রিটাস-এর কবিতা | অনুবাদ: সোহরাব সুমন

320
bdtruenews24.com

Theocritus, Idyll 17 (278–270 B.C., Greek, verse)

প্রথম টলেমির মৃত্যুর পর, হেলেনেস্টিক যুগে, আলেকজান্ড্রিয়া ভূমধ্য সাগরীয় বিশ্বে বৌদ্ধিক কেন্দ্র হিসেবে এথেনসকেও ছাড়িয়ে যেতে শুরু করে। এ সময় থিওক্রিটাস এবং ক্যালিমাচুস-এর মতো কবিরা আলেকজান্ড্রিয়া থেকে বেশ কিছু খাঁটি সাহিত্যকর্ম সৃষ্টি করেন। এই কবিরা, যারা একই সঙ্গে পণ্ডিতও, আলেকজান্ড্রিয়ার পাঠাগারে গ্রিক সাহিত্যের কালজয়ী সব সংগ্রহ তত্ত্বাবধায়ন করতে শুরু করেন। সেসময় টলেমিরা, সম্রাট হিসেবে এর পৃষ্টপোষকের ভূমিকায় অবতীর্ন হন।

সিরাকিউস বা সিসিলি থেকে এলেও থিওক্রিটাস আলেকজান্ড্রিয়ার সভাকবি মনোনিত হন। তিনি রাখালি কাব্য ধাঁচের বিউকলিক পয়েট্রি নামের বিশেষ সাহিত্য প্রকারের প্রচলন করেন, মেষ পালক, তাদের গান আর প্রেমই এধরনের কবিতার মূল বিষয়বস্তু। থিওক্রিটাস ছিলেন ক্যালিমাচুসের সমকালীন, এবং ক্যালিমাচুসের মতো উচ্চাঙ্গের বিশুদ্ধ, পরিমার্জিত কবিতার জন্য তাকে মূল্যায়িত করা হয়। তিনি এভাবে টলেমির সভাকবি হিসেবে বাছাই হন, একবার থিওক্রিটাস টলেমিদের প্রসংশা সূচক এক একোমিয়াম রচনা করেন এবং সেখানে তিনি দ্বিতীয় টলেমি, ফিলাডেলফিয়াস এর কাছে তার পৃষ্ঠপোশকতা কামনা করেন।

এখানে থিওক্রিটাস-এর সেই প্রাচীন কবিতাটির (Theocritus, Idyll 17, 278–270 B.C., Greek, verse) গ্রীকের সংগৃহিত ইংরেজি অনুবাদ থেকে অনুদিত বাংলা সংস্করণ তুলে ধরা হচ্ছে। আর পাঠকদের জন্য কবিতাটি বাংলা অনুবাদ করেছেন কবি সোহরাব সুমন।

আমরা জিয়াস থেকে শুরু করি এবং তাকে দিয়েই শেষ করি, মোজেস


অবিনশ্বরদের মাঝে, জিয়াসই সেরা, কিন্তু আমরা যখনই গান ধরি
মানুষ হলে টলেমির নামই আসে প্রথমে, বা শেষে,
এবং মধ্যখানে, কেননা মানুষের মাঝে তিনিই সবচেয়ে বিশিষ্ট।
প্রাচীন বীরেরা জন্মে ছিলেন উপদেবতাদের ঔরষে


এবং সফলতার সঙ্গে মহানসব কাজ সুসম্পন্ন করার পর, দেখা গেছে বিজ্ঞ কবিরা
তাদের স্মরণীয় করে রেখেছেন, কিন্তু তারপরও আমি জানি কিকরে প্রসংশা করতে হয়,
আমাকে টলেমির গান গাইতে দিন: কবিতারা ঈশ্বর বন্দনাও করে।
এই কাষ্ঠছেদক যে কিনা ঘন বনে ঢাকা আইডা পাহাড় থেকে এসেছেন
উঁকি দিয়ে দেখছেন, অতিপ্রাচুর্য ঘেরা অবস্থায়, সে দেখছে কোথা থেকে শুরু করতে হবে

১০
এই কাজ। কার কথা আমি প্রথমে বলবো? দেবতাদের প্রাপ্ত সম্মান দেয়া হয়েছে
রাজাদের মাঝে শ্রেষ্ঠজন এতো বেশী উপহার পেয়েছেন যার বিবরণ শেষ হবার নয়।
এটা খুবই স্পষ্ট লাগুসের ছেলে টলেমি বংশের সবার থেকে
ছিলেন খাটো যে এমন এক মহান কাজ করবেন, যখন তার
মনে এমন এক বুদ্ধি আসে কেউ তা কল্পনাও করতে পারেনি।

১৫
সেই পিতাও তাকে সমান শ্রদ্ধা করেন সেই আর্শীবাদ পুষ্ট
নশ্বরের প্রতি, এবং এক স্বর্ণ সিংহাসন তার জন্য স্থাপন করা হয় জিয়াসের
বাড়ির ভেতরে; তার পাসে আসন গ্রহণ করেন তার বন্ধুবর আলেকজান্ডার,
পার্শিয়ানদের দ্বারা ঘৃনিত, এক দেবতা দীপ্তমান যার মুকুট।
এদুটি আসন পেরিয়ে আরো একটি চেয়ার সেখানে বসে আছেন সেন্টর বধকারী

২০
হিরাক্লিয়াস, যা তৈরি করা হয়েছে অনড় অনমনীয় হৈরিক দিয়ে।
সেখানে, তিনি অন্য দেবতাদের সঙ্গে বসে ভোজন করেন তেমনি
নাতিপুতিদের নিয়ে প্রবল আমোদে মেতে থাকেন
কেননা ক্রোনাসের পুত্রের পদযুগল থেকে বয়সের ভার লাঘব করা হয়েছে
এবং তাই তার সন্তানদের অমর বলে অবিহিত করা হয়।

২৫
হিরাক্লিয়াসের শক্তিমান পুত্রেরা টলেমির বংশধর
এবং আলেকজান্ডারের
এবং তারা দুজনেই হিরাক্লিয়াসকে তাদের সত্যিকার পূর্বপুরুষ মানেন।
তাই, এতসব সুগন্ধী সূধা অমৃত পান করবার পর
তার মনে অভিলাষ জাগে, তাই হিরাক্লিয়াস অন্তপুর ছেড়ে বেরিয়ে আসেন,
তাদের একজনের হাতে তিনি তার ধনুক খানা তুলে দেন এবং তীরের ঝোলাটা বগলদাবা করেন
তার হাতের নিচে,

৩০
এবং অপর জনকে দেন গিঁট ওয়ালা খসখসে লোহার শক্ত মুগুরখানা
তারা যেন জিয়াসের শ্মশ্রুময় সন্তান তার অস্ত্রে সজ্জিত হবার পর
যেন তা ধবল হাঁটু ওয়ালা তারুণ্যের দেবী হিবির অমৃত বিছানা।
কতইনা দৃষ্টি আকর্ষক ছিলেন বিখ্যাত বেরেনিস
বিদুষী মহিলাদের মাঝে, এবং তার পিতামাতার প্রতি কতই অনুগ্রহ।

৩৫
তারই সুগন্ধী স্তনে অগাস্ট সাইপ্রাসের রাণী,
ডাইওনে কন্যা কোমল হাত ঠুকে ছিলেন; এবং তাই
বলা হয়ে থাকে কোন লোক তার স্ত্রীকে এতো বেশী ভালোবাসেন না
যতটা ভালো টলেমি তার বেরেনিসকে বাসেন।
কিন্তু তিনি তাকে আরো বেশী ভালোবাসতেন। এভাবেই, একজন

৪০
তার সন্তানদের প্রতি আস্থা ফিরে পেয়ে, তাদের দিয়ে দেন
সমস্ত সম্পত্তি, প্রেমময়ী স্ত্রীর সঙ্গে বিছানায় যাবার আগে।
কিন্তু যদি কোন নারী হয় হৃদয়হীনা, সব সময় সে অন্য কারো কথা ভাববে,
তারা অযত্নে জন্ম দিতে থাকবে, এবং শিশুরাও দেখতে হবে না তাদের বাবার মতো।
আফ্রোডাইট, গভীর শ্রদ্ধাময় পবিত্র দেবী, অনিন্দ সুন্দর,

৪৫
বেরেনিস পেয়েছিল তোমার যত্ন; তোমার জন্যেই দেবী, মাধুর্যময়
বেরেনিস করেননি অতিক্রম শোচনীয় নদ এক্রোন,
কিন্তু তুমি কেড়ে নিলে তাকে মুখোমুখি হবার আগেই সেই আন্ধকার
জাহাজের এবং মৃতদের সেই বিষণ্ন খেয়া মাঝির,
তুমি তাকে নিয়ে গেলে তোমার মন্দিরে, দিলে তাকে তোমার কিছুটা
সম্মান।

৫০
সেও সকল নশ্বরদের প্রতি দর্য়াদ্র ছিলো এবং সে তাদের অনুপ্রাণিত করে পেলব
ভালোবাসাতে, এবং সোহাগের আলো জ্বালান তাদের জন্য যারা তা পেতে আকুল।
আর্গোসের, কালো ভ্রূ ওয়ালা নারী, তুমি সেই অসভ্য ডিওমেডিসকে বেরকরে আনলে
একজন ক্যালিডোনিয়ান লোক, টাইডেয়াসের সঙ্গে তোমার ঐক্যের মাধ্যমে;
গভীর-হৃদয়ের থেটিস বিদ্ধ করে তীর-ছুড়তে থাকা একিলিস

৫৫
থেকে এ্যাকুস পুত্র পেলিয়াসকে; আর আপনি তীরন্দাজ টলেমি,
কীর্তিমতী বেরেনিস বিদ্ধ করলেন তীরন্দাজ টলেমিকে।
কজ৬ দ্বীপ আপনাকে প্রতিপালন করে, সদ্য জন্মানো শিশুর মতো
আপনার মায়ের কাছ থেকে নিয়ে, যখন আপনি প্রথম আলোর পানে তাকালেন।
সেখানে এন্টিগন৭কন্যা, প্রসব বেদনায় কাতর হয়ে,

৬০
কাঁচুলি-মুক্ত এলিথিয়াকে ডাকেন; এবং সে
সুপ্রসন্নভাবে তার পাসে দাঁড়িয়ে থাকে এবং ব্যাথা লঘব হয়
তার সমস্ত পায়ের। সেই প্রিয় শিশুর জন্মহয়
এবং দেখতে সে তার বাবারই মতো হয়। তা দেখে কজ আনন্দিত হয়
এবং শিশুটিকে সদয় বাহুতে তুলে ধরে, বলে,

৬৫
“তুমি ভাগ্যবান হও, হে নবজাতক, এবং আমাকে সম্মান করো
যতটা ফিবাস এপোলো সম্মান করে ঘন নীল বেলাভূমির
ডিলসকে;
এবং একই সম্মানে অভিষিক্ত সেই ট্রাইওপিয়ান পর্বত,
এবং বিলি করে দিও সমান সম্মান কাছের ডোরিয়ানদের প্রতি;
রাজা এপোলো রিনায়াকে ভালোবাসেন ডিলোসকে যতটা বাসেন।”১০

৭০
দ্বীপ তাকে এসবই বলে। মাথার ওপর থেকে, বিশাল একটা ঈগল ডেকে ওঠে
মেঘের ভেতর থেকে পরপর তিনবার, ভাববাণী করা একটি পাখি।
এটা জিয়াসের পক্ষ থেকে এক চিহ্ন সরূপ: শ্রদ্ধেয় রাজা যত্নে থাকবেন
জিয়াসের, পুত্র ক্রোনাস। কিন্তু সবচাইতে বিশিষ্ট তিনিই হবেন যাকে জিয়াস ভালোবাসবেন
তার জন্ম মুহূর্ত হতে; ভাগ্য সব থেকে সুপ্রসন্ন তারই হবে এবং

৭৫
অনেক দেশ আর অনেক সমুদ্র শাসন করবেন।
অনেক মহাদেশ আর মানুষের অনেক জাতিগোষ্ঠী
তাদের ফসল ফলায়, জিয়াসের অনুগ্রহের বৃষ্টির জলে,
কিন্তু কোন ভূমিই মিশরের প্লাবনভূমির মতো এতটা উর্বর নয়,
যখন নীলের বন্যা ঢেলা গুলোকে নরম করে তুলে,

৮০
এবং আর কোন শহরে এতো বেশী সুদক্ষ কারিগর নেই।
মিশরের তিনশত নগর রয়েছে,
সেই সঙ্গে তিন হাজার, তার সঙ্গে আরো দশ হাজারের তিনগুনখানেক
তার সঙ্গে তিনের দ্বিগুণ, তার সঙ্গে নয়ের তিনগুণ,
এবং রাজা টলেমি এদের সবার শাসক।

৮৫
তার আরো অধিকার রয়েছে ফোনেশিয়া, আরব,
সিরিয়া, লিবিয়া, এবং সেই অন্ধকারাচ্ছান্ন ইথিওপিয়ানদের ওপর;
তিনি হুকুম করার অধিকার রাখেন সব প্যাম্ফিলিয়ানদের, সিসিলিয়ান
তীরন্দাজদের,
লাইসিয়ান, যুদ্ধবাজ কারিয়ানদের,
এবং সাইক্লাডেস দ্বীপবাসীদের, কেননা তিনি সেরা সব জাহাজের মালিক

৯০
সাগরে পাল ওড়াবার জন্য। সমগ্র সাগর, সমস্ত ভূমি,
বয়ে চলা সকল নদী টলেমির শাসনাধীন;
অসংখ্য ঘোড়সাওয়ার, অসংখ্য বর্ম পরিহিত
জাজ্বল্যমান ব্রোঞ্জে সজ্জিত হয়ে, তারই চারপাশে সমবেত হন।
সম্পদের দিক দিয়ে তিনি সকল রাজাদের থেকেও ওজনে অধীক,

৯৫
তার সমৃদ্ধ প্রসাদে প্রতিদিন অগুনতি লোক আসে
সব জায়গা থেকে। লোকেরা নিরাপদে তাদের কাজে যোগ দেয়,
কেননা কোন ভেতরকার শত্রু পেরতে পারেনা মাছে ভরপুর নীল
এবং যুদ্ধের দামামার শব্দ বাজে অন্যান্য নগরে,
কেউই লফিয়ে নামতে পারে না দ্রুতগামী জাহাজ থেকে তীরে

১০০
এবং, বিদ্বেষীরা, পারেনা ধরতে অস্ত্র মিশরের গবাদী পশুর বিরুদ্ধে।
এমনই এক লোক আন্দোলিত করে রাখেন এইসব বিস্তৃত সমতল,
মনোরম-চুলের টলেমি, বর্শা ছুড়তে খুবই পারঙ্গম
যার কাছে এটা একটা সতর্কতা তার দায়ভার প্রহরার,
যেমন মানায় যোগ্য রাজাকে, এবং তিনি তাতে আরো কিছু যোগে ইচ্ছুক।

১০৫
কিন্তু সেইসব সোনা অনর্থক সংগ্রহ হয়না সেই ধনাঢ্য বাড়িতে,
পিঁপড়েদের সম্পদের মতো অন্তহীন কঠোর পরিশ্রমে:১১
ওই ঈশ্বরের মন্দির গুলোও অঢেল পেয়ে থাকে,
যতক্ষণ টলেমি প্রথম জাতসব উৎসর্গ করেন এবং বাড়াতে থাকেন
আরসব সদ্যজাতেদের;
অঢেল দিয়েছেন তিনি ক্ষমতাধর রাজাদের,

১১০
অনেক দিয়েছেন নগর গুলোকে, এবং বাদ যাননি তার অভিজাত সহচরেরাও।
কেউই গাইতে পারে না নির্মল-সুরে যে গান ভেসে আসে
ডাইয়োনাইসাস এর পূজনীয় প্রতিযোগিতা থেকে
যথোপযুক্ত কোন পুরষ্কার ছাড়াই তার সেই প্রতিভাসহ।
যারা বলে মিউজেরা গানে গানে টলেমির বন্দনা করে

১১৫
এইসব দানধ্যানে ভুলে। অন্তত, এর চেয়ে মহান আর কী হতে পরে
বিত্তের অধিকারী কারো জন্যে লোকেদের মাঝ থেকে এমন সুনাম কুড়াবার বদলে ?
খ্যাতিই সব যা এইটার্স১২ এর পুত্রদের জন্যে থেকে গিয়েছিল: বাকী যা
সম্পদ
তারা অর্জন করে যখন দখল নেয় প্রিয়ামের প্রকাণ্ড প্রাসাদের
তা এখন বিলিন সেই বিষাদ অন্ধকারে যা থেকে কোন কিছুই পাওয়া যায়নি।

১২০
এই লোক একা তাদের মাঝে যারা বহুদিন আগে জীবিত ছিলেন এবং তাদের যাদের
পায়ের ছাপ তখনও উষ্ণ ছিলো ধূলা মাড়িয়ে যাবার সময় তাদের পায়ের
নিচ দিয়ে,
নির্মাণ করেছেন ধূপ ধূনা ছাওয়া মন্দির তাদের মা এবং বাবার তরে;
তার ভেতরে, তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন প্রতিমা তাদের, স্বর্ণ আর গজদন্তে
তৈরি, যেন ত্রানকর্তা সকল নশ্বরের।

১২৫
সেখানেও, তিনি আহুতিদেন অজস্র চমৎকার ঊরু ওয়ালা গবাদি পশুর
উজ্জ্বল বেদীর ওপরে, এভাবেই মাসের পর মাস অতিক্রান্ত হয়,
তার সুন্দরী বধূর সঙ্গে, এরপর যাকে আর কোন বউই ভালোকরে
তার স্বামীকে আঁকড়ে থাকতে পারে না বাহুডোরে তার ঘরের ভেতরে,
কেননা সে মন থেকে লালন করে তার ভাই এবং স্বামীর জন্যে।

১৩০
সেও তো পবিত্র মিলন ছিল ওই যে অবিনশ্বরের
যাকে রানী রিয়া কর্তৃত্বে প্রভাবিত করতেন অলিম্পাসে:১৩
আইরিশ, এখনও কুমারী, তার দুই হাত সুগন্ধিতে শোধনের পর,
একটি বিছানা সাজান জিয়াস আর হেরার নিদ্রার জন্যে।
বিদায়, রাজা টলেমি, আর আমি আপনাকে নিয়ে গাইবো এবং আরসব

১৩৫
নরদেবতাদের নিয়ে সমান ভাবে, আর আমি যে কথা বলবো, মনে করি
কখনই তা হারিয়ে যাবে না
তাদের তরে যারা অনাগত। কিন্তু সেই মহিমা, অবশ্যই আপনাকে
চাইতে তো হবে জিয়াসের কাছে।

১. প্রথম টলেমি Soter, যার মানে “ত্রাণকর্তা।”
২. প্রাচীন বিশ্বে মেসিডনিয়ার রাজ পরিবারের বংশবৃত্তান্তে হিরাক্লিয়াসের বংশধর ক্যারানুস নামের একজনের সন্ধান মিলে।
৩. হোমারের লেখাতে আফ্রোডাইট জিয়াস এবং ডাইওনে এর কন্যা।
৪. ডেইপাইলে ছিলেন রাজা আর্গোসের কন্যা এবং টাইডিয়াসের স্ত্রী।
৫. দ্বিতীয় টলেমি ফিলাডেলফিয়াস।
৬. দক্ষিণপূর্ব ঈজিয়ান সাগরের একটি দ্বীপ।
৭. বেরেনিস ছিলেন এন্টিগনের কন্যা।
৮. প্রসুতি দেবী।
৯. একসময় দক্ষিণপশ্চিম এশিয়ার মাইনরের এক অন্তরীপে ট্রাইওপিয়ান এপোলোর একটা মন্দির ছিল।
১০. রিনায়া: ডিলোসের কাছের একটা দ্বীপ।
১১. হেরোডোটাস বলেছেন “পিঁপড়া” (বলতে সম্ভবত কাঠবিড়ালি জাতীয় প্রাণীকে বুঝিয়েছেন) তাদের গর্ত খোড়ার সময় স্বর্ণ সংগ্রহ করে (৩.১০২-৫)। ১৯৮৪ তে প্রকাশিত প্যাসিয়েল দেখুন।
১২. আগামেনন এবং মেনেলিয়াস।
১৩. উদাহরণ হিসেবে, জিয়াস এবং হেরা।

শেয়ার করুন :
Follow Facebook

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন:

Loading Facebook Comments ...