কিশোরী বধূকে গলাটিপে হত্যা করলো স্বামী 

পালিয়ে যাওয়ার সময় আটক

169
bdtruenews24.com

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার মাঝগাঁও ইউনিয়নের রামাগারি গ্রামের এনামুল হকের মেয়ে ইমা (১৪!) গত একবছর আগে ভালবেসে ঘর ছেড়ে পালিয়ে বিয়ে করে পার্শ্ববতী বাগাতিপাড়া উপজেলার দয়ারামপুর ইউনিয়নের চন্দ্রখৈয়র গ্রামের বজরু সেখের ছেলে মারুফকে (১৭!)। বিয়ের ৩ মাস পর উভয়পক্ষের অভিভাবক তাদেরকে মেনে নেয়। বুধবার ইফতারীর আগ মুহূর্তে মাত্র চৌদ্দ বছর বয়সেই প্রাণ হারালো ওই কিশোরী বধূ ইমা। ভাত চেয়ে না পাওয়ায় স্বামী ক্ষিপ্ত হয়ে গলাটিপে ধরলে শ্বাসরোধে মহূর্তেই মৃত্যু হয় তার।

ইমাকে হত্যার পর স্বামী মারুফ পালিয়ে যাওয়ার সময় গ্রামবাসী ওই দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে বড়াইগ্রামের বনপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে আটক করে বাগাতিপাড়া থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। রাতেই ইমার পিতা এনামুল হক বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। বৃহস্পতিবার সকালে ময়না তদন্তের পর ইমার লাশ তার নিজ গ্রামের গোরস্থানে দাফন করা হয়।

প্রতিবেশীরা জানায়, রোজার কারণে দুপুরে ভাত রান্না করেনি ইমা। এছাড়া সে রোজার শুরুর দিন থেকে স্বামীকে রোজা রাখতে বাধ্য করার চেষ্টা চালায়। ইফতারির আগে স্বামী মারুফ বাড়িতে এসে ভাত চাইলে সে জানায়, ভাত রান্না করা হয়নি। আর তাতেই ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রীর গলাটিপে ধরে এবং মহূর্তেই শ্বাসরোধে তার মৃত্যু হয়।

দয়ারামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল কৃদ্দুস জানান, মারুফ বয়সে নাবালক হলেও সে একজন হত্যাকারী। দেশের আইন অনুযায়ী তার সাজা পাওয়া উচিত।

বড়াইগ্রামে গাছের সাথে ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ১ আহত ৩

নাটোরের বড়াইগ্রামের নাটোর-পাবনা মহাসড়কের খেজুরতলা এলাকায় বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে চলন্ত ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে গাছের সাথে ধাক্কা খেলে ঘটনাস্থলেই হেলপার ইমান আলী (২৫) নিহত এবং চালকসহ ৩ যাত্রী গুরুতর আহত হন।

আহতদের বনপাড়া আমেনা ও পাটোয়ারী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত ইমান আলীর বাড়ি পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার বড়ইছড়া গ্রামে। তার পিতার নাম ইসাহাক আলী।

বনপাড়া হাইওয়ে থানার ওসি আল মামুন জানান, পাবনা থেকে নাটোরগামী একটি ট্রাক (পাবনা-ট-১১-০২৭৫) নিয়ন্ত্রণ হারালে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

Follow Facebook

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন: