একাধিক পুরুষের সাথে যৌনতা বৈধ যে নারীদের

236

বড়ই বৈচিত্র্যময় এই পৃথিবী। আর এই বৈচিত্র্যের জল কোথায় কখন কিভাবে গড়ায় তা বলা মুশকিল। পৃথিবীর নানা জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে এখনও এমন সব কালচার চলমান যা শুনলে আমাদের চোখ কপালে উঠতে পারে। কিন্তু অবাক করার মতো হলেও তা পুরোপুরি সত্যি! এমনই এক অদ্ভূত ঘটনা দেখা যায় আফ্রিকার তুরেগ ট্রাইব এলাকায়।

বাঙালি সমাজে ডিভোর্স অর্থাৎ তালাক শব্দটি নেতিবাচক অভিব্যক্তি প্রকাশ করে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ছাড়াছাড়ির একটি আইনি প্রক্রিয়ার নাম ডিভোর্স। এই ডিভোর্স স্বামী কিংবা স্ত্রী উভয়ের সংসারে নতুন বিপত্তি ডেকে আনে। সামাজিকভাবেও কিছুটা বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়।

নিঃসন্দেহে ডিভোর্স শুধু দুই ব্যক্তির মাঝে হলেও এর কষ্ট দুই পরিবারের সদস্যরা ভোগ করে।

কিন্তু পৃথিবীতে এমনও দেশ আছে যেখানে ডিভোর্স দেয়া হলে মেয়ের পরিবার তা অত্যন্ত আনন্দের সাথে উৎযাপন করেন। আফ্রিকার তুরেগ ট্রাইব এলাকার বাসিন্দাদের মাঝেএমন অদ্ভূত সংস্কৃতি চলে আসছে বহু বছর ধরে।

সেখানে যখন ডিভোর্স হয় তখন মেয়ে তার স্বামীর নিকট যা চাইবে তাকে তা প্রদান করতে হয়। তাই নারীদের পরিবারের সদস্যরা বিবাহ-বিচ্ছেদে আনন্দ-উল্লাস করে।

সে দেশের নারীরা যে কোন সময় যে কোন কারণে তাদের স্বামীকে ছেড়ে দিতে পারেন। অন্য সব স্থানের তুলনায় এই এলাকার মাঝে সবচেয়ে বেশি পার্থক্য হল- এখানকার নারীরা ইচ্ছা করলে একাধিক পুরুষের সাথে সম্পর্ক রাখতে পারে। এই কাজ তাদের মাঝে বৈধ।

যে কোন ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে নারীদের মতের প্রাধান্য দেয়া হয়। তাদের সিদ্ধান্ত সকলে মেনে নেন।

এখানের আরও একটি আইন হল এখানের নারীরা কখনও তাদের চেহারা কাপড়ের আড়ালে রাখে না। যেন পুরুষেরা তাদের সর্বাঙ্গ দেখতে পায়।

অথচ সেখানে যখন কোন পুরুষ প্রাপ্তবয়স্ক হয়, তখন তাকে পর্দা করে চলতে হয়। অর্থাৎ তারা কাপড় দিয়ে মুখ ঢেকে চলাচল করে। বিপরীতে প্রায় বস্ত্রহীন দিব্যি ঘুরে বেড়ায় মেয়েরা।

[related-content]

Follow Facebook

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন: