অথির চক্রবর্তীর ৩টি কবিতা

261
bdtruenews24.com

মধু-মৃত্যুর উপনিবেশ


যতটুকো সীমানার ভেতর বুলবুলি, নীল বরফ আর মেঘে মেঘে জ্বলে ওঠা আগুন
ততটুকো এলাকার মাঝে এক আয়নাকুমারী আছে… সেখানে তাকানোর পর, অতঃপর স্বচেহারায় মুদ্রিত হই আমি!
আর আয়নাকুমারীর নোটিশ, চোখ কেন লাল, চেহারা কেন পালানো পালানো…
ঠোঁট ধারাভাষ্যকারীর মতো কিন্তু কথারা কেন হাওয়া!

হাওয়ায় চেপেই যে আসে কিশোরীপাতারা। হঠাৎ হরিৎবন থেকে সোনালী চুল!

ধারণায় আমাকে জন্ম দিয়েছে কুমারী! মেঠো-হৃদয়ের মধ্যস্থলে পৌঁছানোর যাত্রীবেশে আমি; ফেলে এসেছি সব হাইওয়ে…

জানি প্রতিটি গুহা মানে সুইসাইড স্কোয়াড আর মধু-মৃত্যুর উপনিবেশ!

বৃষ্টির চেয়ে জরুরি


ভিজুক গৌতম বুদ্ধ, মাও সেতুং কবিতার বই! ভেজার প্ররোচনা এমন, জীবন হয়ে যায় ছাতা হারানো বালক! প্রতিটি জলের ফোঁটা একেকটি চোখের অর্থ করে মরে?
বৃষ্টি পড়ে, জল পড়ে, চোখ দেখি না, চোখ দেখি না।

ছাদ রঙিন স্টেডিয়াম? সেখানে অঙ্গ থেকে মুদ্রা ঝরে? মুদ্রা দেখি তবু অঙ্গ দেখি না।
মানিপ্লান্টে পেঞ্জি ফুটেছে। গাছটা কেন চোখে পড়েনি! চোখে পড়ে না!

গৌণ জীবন


মূল জীবন থেকে ঝরতে ঝরতে সরে এসেছি গৌণ জীবনে। কাঠঠোকরার ঠোঁটে প্রত্যাশার মোড়কে নেচে উঠুক, আকাঙ্ক্ষা, ভোর।

বিভ্রমের সারগর্ভে আমার জন্ম! আঙুলের টিপসই নিয়ে চলে বাণিজ্য!

জানি আমার নাম্বারটাও একদিন রং নাম্বার হয়ে যাবে! তখন কথা বলবে, অন্য কেউ, অন্য প্রসঙ্গে বিকাল সন্ধ্যা হবে।গলির প্রথম বাড়িটার ওপরে উড়তে থাকবে নিরুদ্দেশ মেঘ। ভেতরে-বাইরে হরতাল ডেকে দূর-অভিষেক ঘটবে আমার! জীবনের পাশের গলিতে রুম ভাড়া করে থেকে যাবো, তুমুল গৌণ জীবনে, চিরস্থায়ী স্বেচ্ছা কয়েদি পোশাকে। চৌত্রিশের বেলা বয়ে যায় প্রভু, সন্ত্রাসী হাওয়ায়…

Follow Facebook

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন: